রাজধানীর বনানী থানাধীন সাততলা বস্তিতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে আহত স্বামীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বনানীর সাততলা বস্তির ভাড়া বাসায় ছুরিকাঘাতের ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, নিহতের নাম শাওন প্যাদা (২০)। পেশায় তিনি পিকআপ চালক ছিলেন। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বরুনবাড়ীয়া গ্রামের মৃত মজিবর প্যাদার ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে শাওন ছিল বড়।
নিহত শাওনের খালা রেমিজা আক্তার জানান, গতকাল সন্ধ্যায় শাওনের সাততলা বস্তির ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার (১৮) শাওনের তলপেটে ছুরিকাঘাত করলে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তার স্ত্রীই তাকে উদ্ধার করে আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে রাত আটটায় ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে ভর্তি করান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, তার ভাগ্নের আগের স্ত্রী শাহনাজ বেগমের সঙ্গে জিহাদ নামের দুই বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তারা সিলেট থাকেন। গত দশ মাস আগে শাওনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে সুমাইয়া আক্তারের বিবাহ হয়।
আরও পড়ুন: তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বনানী থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল কাদির রাসেদ জানান, নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। শাওনের মা শাহিনুর আক্তার বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) শাওনের স্ত্রী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর শাওনের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারকে আটক করা হয়।
একাত্তর/জো
