রাশিয়া অধিকৃত ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চল থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তকে জনসম্মুখে অনুমোদন দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
শুক্রবার (৪ নভেম্বর) মস্কোর রেড স্কয়ারে রাশিয়ান ইউনিটি ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, বিপজ্জনক এলাকায় বসবাসকারী জনগণের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিৎ, কেননা বেসামরিক নাগরিকদের যন্ত্রণা ভোগ করা উচিৎ নয়।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের নাগরিকদের জোরপূর্বক অপসারণের অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। এটিকে একটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণের পর রাশিয়ার দখল করা একমাত্র বড় শহর খেরসন। সেখান থেকে প্রায় ৭০ হাজার বাসিন্দাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ভারী মিসাইল ও ড্রোন হামলার ফলে অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে ঘনঘন বৈদ্যুতিক ব্ল্যাকআউট জারি করতে বাধ্য হয়েছে কিয়েভ।
এর একদিন আগেই খবর আসে, খেরসন ছেড়ে যাচ্ছে রাশিয়ান সৈন্যরা। যদি সত্যিই তেমনটা হয়ে থাকে, তবে রাশিয়ার জন্য তা হবে বড় ধাক্কা।
খেরসনে রাশিয়ার নিযুক্ত কর্মকর্তা কিরিল স্ত্রেমুসভ রাশিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, ওই অঞ্চল থেকে রাশিয়ান সৈন্য প্রত্যাহার করার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এ নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। তাদের আশঙ্কা, তাদের সৈন্যদের প্রলোভিত করে বিপজ্জনক এলাকায় নিয়ে যেতে এমন ফাঁদ পেতে থাকতে পারে রাশিয়া।
আরও পড়ুন: ভারতে শিবসেনা নেতাকে গুলি করে হত্যা
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের কিছুদিনের মধ্যেই খেরসন দখল করে নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শহরের বাইরের দিকে কিছু কিছু এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।
গত মাসের মাঝামাঝি খেরসন থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নিতে শুরু করে রাশিয়ান সেনাবাহিনী। পরে সেনা কমান্ডাররা জানান, ওই অঞ্চলে তুমুল যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে বাসিন্দাদের সরাতে অভিযান সম্পন্ন করেন তারা।
একাত্তর/এসজে
