রাশিয়ার আরও একটি বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাশিয়ার আকাশসীমার কয়েকশ' কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে দুটি বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর এটি তৃতীয় ড্রোন হামলার ঘটনা।
মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার কুরস্ক শহরের কর্মকর্তারা সেখানকার একটি বিমানঘাঁটির উপরে কালো ধোঁয়া ওড়ার ছবি প্রকাশ করেন।
কুরস্কের গভর্নর লোমান স্তরাভয়েত এক টেলিগ্রাম পোস্টে জানিয়েছেন, এ হামলায় সেখানে একটি তেল সংরক্ষণ ট্যাংকে আগুন লেগে যায়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।
এর একদিন আগে রাশিয়া অভিযোগ করে, মস্কোর কাছে রিয়াজান শহরে এঙ্গেলস বিমানঘাঁটিতে ও সারাতভ শহরে আরও একটি বিমানঘাঁটিতে সোভিয়েত আমলের ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।
এ অভিযোগ স্বীকার না করলেও এই হামলার ঘটনাকে উদযাপন করেছে কিয়েভ।
এদিকে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব হামলাকে পরিকল্পিত আক্রমণ বলে মনে করলে একে কৌশলগতভাবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যর্থতা হিসেবে দেখবে রাশিয়া।
এসব হামলা ঘটতে দেয়ার জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের রাশিয়া চিহ্নিত করে গুরুতর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে বলে ধারণা করছে ব্রিটেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রিয়াজানের হামলায় তিনজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। যদিও সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে, একে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে আখ্যা দিয়ে তারা অভিযোগ করেছে, এর লক্ষ্য ছিল দূরপাল্লার যুদ্ধবিমানকে অকার্যকর করে দেয়া।
আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে আলাদা বিস্ফোরণে সাতজন নিহত, আহত ছয়
যদিও রাশিয়ার ভেতরে কোনও হামলার দায় কখনও ইউক্রেন নেয়না, ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সোমবারের হামলা ইউক্রেনের ভূখণ্ড থেকে চালানো হয়েছে এবং অন্তত একটি হামলায় বিমানঘাঁটির কাছাকাছি অবস্থিত বিশেষ বাহিনীর সাহায্য নেয়া হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
