জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ নতুন করে সংগঠিত হয়ে বাংলাদেশে একটি বড় হামলা করার পরিকল্পনা করছিলো বলে জানিয়েছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলাম বাংলাদেশের প্রধান প্রশিক্ষকসহ ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সিটিটিসি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হরকাতুল জিহাদের প্রধান প্রশিক্ষক ফখরুল ইসলাম (৪৯), মো. সাইফুল ইসলাম (২৪), মো. নুরুজ্জামান (৪৫), মোঃ. আবদুল্লাহ আল মামুন (২২), মো. দ্বীন ইসলাম (২৫) ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন (৪৬)।
তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে জঙ্গি সদস্য সংগ্রহ করছে হরকাতুল জিহাদ। এছাড়া আরও কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন সদস্য সংগ্রহের জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অর্থ লগ্নি করেছে।
সিটিটিসি প্রধান জানান, ১৯৮৮ সালে আফগান যুদ্ধে অংশ নিতে যান ফখরুল ইসলাম। একই সাথে সেসময় তালেবান ও আল কায়দার সাথে প্রশিক্ষণ নেন তিনি। নিয়মিত ফায়ারিং স্কোয়াডে অংশ নেন। একে ৪৭ রকেট লঞ্চার চালাতে সক্ষম। আল-কায়েদার সাবেক প্রধান ওসামা বিন লাদেনের সাথে তার সাক্ষাৎ হয়েছিল।
আরও পড়ুন: নদীর তীরে নিখোঁজ বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে ভারত হয়ে দেশে এসে হরকাতুল জিহাদ শুরু করেন ফখরুল ইসলাম। বাংলাদেশে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ছিলো সংগঠনটির। কর্মী সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ফখরুল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটিটিসি। সেসব ফোনে টাইম বোমা বানানোর বাংলা বিবরণীসহ ভিডিও পাওয়া গেছে। মোবাইলে এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপস ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল শেয়ার করা হতো।
