সুন্দরবনের সুপতি স্টেশনাধীন চান্দেশ্বর ফরেস্ট অফিস এলাকায় গেঁড়ে বসেছে দুটি বাঘ। শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটার দিকে দুটি বাঘ ওই অফিস প্রাঙ্গনে ঢুকে পড়ে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায়ও তারা বনে ফিরে যায়নি। উপরন্তু দুটির বাঘের সঙ্গে যোগ দিয়েছে আরও একটি।

এদিকে শুক্রবার দুপুর থেকে বাঘের উপস্থিতির পর অবরুদ্ধ থাকা পাঁচ বনরক্ষী এখনও অফিসে ছেড়ে বের হতে পারেননি। তবে প্রায় ২০ ঘণ্টা না খেয়ে থাকা ওই বনরক্ষীদের কায়দা করে খাবার দিয়েছে চান্দেশ্বর ফরেস্ট অফিস। বাঘগুলো একটু আড়াল হলেই ক্যাম্প ইনচার্জের মাধ্যমে তাদের খাবার দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টায় চান্দেশ্বর ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক শেখ মুঠোফোনে জানান, গতকাল দুপুরে আসা দুটি বাঘের সঙ্গে রাতে আরও একটি বাঘ যোগ দিয়েছে। রাতে বনরক্ষীরা পুকুর পাড়ে টর্চ লাইটের আলো জ্বেলে তিনটি বাঘের উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন। সকালেও বাঘ তিনটি পুকুর পাড়ের অদূরে বনে ঘুরাঘুরি করছিলো। এখনও বাঘগুলো অফিসের দক্ষিণ পাশে নদী তীরে অবস্থান করছে।
তিনি জানান, এদিকে বাঘের উপস্থিতে বানর, পাখি ও হরিণ অনবরত চিৎকার করে যাচ্ছে। বনরক্ষীরাও সতর্ক অবস্থানে থেকে বাঘের গতিবিধি লক্ষ্য করছেন।

ফারুক বলেন, বাঘ তিনটির স্বাভাবিক চলাফেরায় কোনো বিঘ্ন না ঘটানোর নির্দেশনা দিয়েছেন বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: ১০ বিভাগে বিএনপির সমাবেশ আজ, পথে থাকবে আওয়ামী লীগ
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো সামসুল আরেফীন জানান, এই সময়টা বাঘের প্রজননকাল। তাই সঙ্গীসহ বাঘগুলো নিজস্ব প্রকৃতিতে চলাচল করছে। তাদের কোনো ক্ষতি না করতে বনরক্ষীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একাত্তর/এসি
