রাশিয়ার ‘পারমানবিক ব্ল্যাকমেইল’ ঠেকাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকার দাবি জানিয়েছে ইউক্রেন।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বেলারুশে কৌশলগত পারমানবিক অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণার পর রোববার (২৬ মার্চ) কিয়েভ এ দাবি জানায়।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, তারা ক্রেমলিনের ‘পারমানবিক ব্ল্যাকমেইল’ ঠেকাতে যুক্তরাজ্য, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের কাছ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ আশা করছে। এ প্রেক্ষিতে জরুরি ভিত্তিতে নিরাপত্তা পরিষদের ব্যতিক্রমী বৈঠক ডাকারও দাবি জানায় তারা।
পুতিন শনিবার এক ঘোষণায় বলেন, তার এই পরমাণু অস্ত্রের মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের নেয়া পদক্ষেপেরই অনুরূপ। দেশটি বেলজিয়াম, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও তুরস্কের ঘাঁটিসমূহে এ ধরনের অস্ত্রের মজুদ রেখেছে।
রাশিয়া আন্তর্জাতিক পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির লঙ্ঘন না করেই প্রতিবেশী ও মিত্র দেশ বেলারুশে পরমাণু অস্ত্র মজুদ করবে বলে জানান তিনি।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাশিয়াকে তার দায়দায়িত্ব লঙ্ঘন এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নীতি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধ্বংসের জন্যে অভিযুক্ত করেছে।
এদিকে, বেলারুশ রাশিয়ার অস্ত্র রাখলে মিনস্কের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বরেল।
আরও পড়ুন: সংকট উত্তরণে ইমরান খানের ১০ দফা কর্মসূচি
রোববার এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, ‘বেলারুশের রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্র রাখা দায়িত্বজ্ঞানহীন হবে এবং ইউরোপের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তা হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বেলারুশ এখনো এটি বন্ধ করতে পারে এবং এটি তাদের সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে ইইউ আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত রয়েছে।’
একাত্তর/এসজে
