ঈদ যাত্রার তৃতীয় দিনে ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া সব ট্রেনে ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। তবে কোন বিশৃংখলা তৈরি হয়নি।
বেশিরভাগ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় ওই দিন যাত্রীদের সর্বোচ্চ চাপ থাকবে। এজন্য প্রস্তুত রেল কর্তৃপক্ষও।
অনলাইনে ট্রেনের টিকেট পাওয়া অনেকটা লটারি ভাগ্যের মতোই। তবে, ভোগান্তি না থাকায় ট্রেনে ঈদ যাত্রার তিক্ত অভিজ্ঞতা আর নেই।
সোমবার ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস। তাই সকাল থেকে কমলাপুরে যাত্রীদের প্রচন্ড ভিড়। তবে, অসহনীয় গাদাগাদি আর নেই। ছাদে যাত্রী উঠার হিড়িক নেই।
বিনা টিকেটের যাত্রী চলাচল বন্ধে রেল কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থানের কারণে কেউ ট্রেনের ছাদে উঠার সুযোগই পায়নি। ফলে, ভোগান্তি ছাড়াই ট্রেনে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা।
ভিড় বাড়লেও এখনো সময় মেনেই চলছে ঈদের ট্রেন। সোমবার সুন্দরবন ও রংপুর এক্সপ্রেস ছাড়া বেশিরভাগ ট্রেন নির্ধারিত সময়ে কমলাপুর ছেড়েছে।
ঠিক সময়ে ছেড়েছে ঈদ স্পেশাল ট্রেনও। যাত্রীদের বাড়িফেরা স্বস্তিদায়ক করতে মোহনগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনা গন্তব্যের জন্য এসব ট্রেন চালু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, ট্রেন ছাড়তে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা দেরি হলে তাকে তারা ‘শিডিউল’ বিপর্যয় বলে। সে হিসেবে ‘শিডিউল’ বিপর্যয় হয়নি।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, সোমবার এই স্টেশন থেকে ১০৬টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাবে। এর মধ্যে ৪১টি আন্তনগর ট্রেন।
যার মধ্যে তিনটি ‘ঈদ স্পেশাল’। ভোগান্তিহীনভাবে যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন। যাত্রীদের সঙ্গে আলাপেও সেই কথার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বলছেন, নতুন এক রেল সেবা দেখছেন তারা।
রোজার ঈদেও ট্রেনে ঈদ যাত্রার শুরুটা স্বস্তির ছিলো। কিন্তু গার্মেন্টস ও শিল্পকারখানা ছুটির পর শেষ মুহূর্তে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিলো। এবারও সেই শঙ্কা করছেন যাত্রীরা।
একাত্তর/আরবিএস
