মানহানির মামলায় পাওয়া সাজায় স্থগিতাদেশ চেয়ে রাহুল গান্ধীর করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে গুজরাট হাইকোর্ট।
শুক্রবার গুজরাট হাইকোর্ট মোদী পদবি নিয়ে কটূক্তির জেরে নিম্ন আদালতে তাকে দেয়া সাজাকে যথার্থ বলেও উল্লেখ করেছে। খবর: দ্য হিন্দু।
গুজরাট হাইকোর্টের এ রায়ের ফলে রাহুলের পক্ষে সংসদ সদস্যপদ ফিরে পাওয়ার আশা আরও কমে গেলো। এখন তাকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে হবে। সেখানেও একই রায় বহাল থাকলে তিনি আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হতে পারবেন না তিনি।
২০১৯ সালের মার্চে কর্ণাটকে এক নির্বাচনী সমাবেশে কটাক্ষ করে রাহুল বলেছিলেন, ‘সব চোরের পদবি মোদী হয় কী করে? নীরব মোদী, ললিত মোদী, নরেন্দ্র মোদী।’
পলাতক ভারতীয় ডায়মন্ড ব্যবসায়ী নীরব মোদী এবং ভারতীয় ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের সাবেক প্রধান ললিত মোদী, যাকে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড আজীবন নিষিদ্ধ করেছে, তার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে টেনে করা এ মন্তব্যে মোদী পদবিধারী সবাইকে অপমান করা হয়েছে অভিযোগ তুলে রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন বিজেপির বিধায়ক পুর্নেশ মোদী।
গুজরাটের সুরাটের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ বছরের ২৩ মার্চ ওই মামলায় সাবেক কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়। উচ্চ আদালতে আপিলসহ সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাহুলকে গ্রেপ্তার না করারও নির্দেশ দেয় তারা।
এ আদেশের পরদিনই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে লোকসভায় অযোগ্যও ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগদানে যোগ্য: এরদোয়ান
এরপর এ সাজার বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে যান রাহুল। সেখানকার বিচারকও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায়ই বহাল রাখেন। এতে রাহুল ছোটেন হাইকোর্টে। শুক্রবার উচ্চ আদালতের রায়ও তার বিপক্ষে গেল।
একাত্তর/জো
