গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য পানের সাথে যুগির চুনের ব্যবহার এখন ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে।
তবে গাইবান্ধায় এ ঐতিহ্য এখনও ধরে রেখেছেন কয়েক শতাধিক কারিগর। কিন্তু পুঁজির অভাবে তাদেরও এই পেশায় টিকে থাকাটা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।
চুন শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রশিক্ষণসহ সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে গাইবান্ধা বিসিক।
গাইবান্ধা শহর থেকে একটু দূরেই রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের যুগিপাড়া। এই গ্রামের বাসিন্দারা বংশ পরম্পরায় যুক্ত শামুক দিয়ে চুন তৈরির কাজে।
বিভিন্ন নদী ও বিল থেকে নিয়ে আসা শামুক-ঝিনুক প্রথমে পানি দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করা হয়। এরপর বিশেষ ব্যবস্থায় খড়ি দিয়ে পুড়ানো হয় শামুক-ঝিনুক। পোড়া ঝিনুকগুলো চালুন দিয়ে চেলে, বেছে, পানি মিশিয়ে নানা প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয় চুন।
এ পেশায় জড়িতরা জানালেন, বংশ পরম্পরায় এই গ্রামের মানুষ চুন তৈরি করলেও এখন পুঁজির অভাবে এ পেশায় টিকে থাকাটা তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া কমে গেছে শামুক-ঝিনুকও।
গাইবান্ধা বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক রবীন চন্দ্র রায় জানালেন, এই চুন শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রশিক্ষণসহ সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
আরও পড়ুন: জেলা আওয়ামী লীগ নেতার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বর্তমানে যুগিপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই চুন তৈরির পেশায় যুক্ত আছেন প্রায় ৫০০ কারিগর।
একাত্তর/জো
