ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে দুই নারীকে যৌন নিপীড়নের মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাড়িতে আন্দোলনকারীরা আগুন দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার আলজাজিরা জানায়, লাঞ্ছনার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন খুইরেম হেরোদাস নামে একজন মেইতি। খুইরেম গত মে মাসে দুই আদিবাসী নারীকে রাস্তায় টেনে নিয়ে যায় এবং অন্যদের নিয়ে তাদের ধর্ষণ করে। এরপর তাদেরকে নগ্ন করে সবার সামনে ঘোরায়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মণিপুর সহিংসতার বিষয়ে প্রায় ৮০ দিনের নীরবতা ভঙ্গ করে এই ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এই ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে খুইরেম হেরোদাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর আন্দোলনকারী নারীরা পাথর মেরে খুইরেমের বাড়িতে হামলা করে। এরপর তার বাড়ির বেশ কিছু অংশে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।
মনিপুর রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলের পুলিশ কর্মকর্তা হেমন্ত পাণ্ডে বলেন, ‘আমরা তাদের ক্রোধ বুঝতে পারছি। আমরা আন্দোলনকারী নারীদের শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করতে বলেছি’।
আরও পড়ুন: বিজেপি হটাতে ব্যাঙ্গালুরুতে জড়ো ২৬ বিরোধী দল
যৌন নিপীড়নের ঘটনায় খুইরেমসহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধের সাথে জড়িত কমপক্ষে ৩০ জনকে খুঁজে বের করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মনিপুর পুলিশ।
এই ঘটনায় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের নারীরাও আন্দোলন করছেন। মণিপুরে নারীদের ধর্ষণ এবং নগ্ন করে ঘোরানোর কথা জানার পরেও কেন পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে তা জানতে চান তারা।
একাত্তর/পিএজে/এসজে
