ডেঙ্গু রোগীর চাপ আর নিতে পারছে না মুগদা হাসপাতাল

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৩, ০৯:৫২ পিএম

ডেঙ্গু রোগীর চাপ আর নিতে পারছে না ভয়াবহ এই রোগের চিকিৎসার জন্য ভরসার কেন্দ্র হয়ে ওঠা রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতাল। পাঁচশ’ শয্যার হাসপাতালটিতে কেবল ডেঙ্গু রোগীই আছে ছয়শোর বেশি। তারপরও প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। 

শয্যা না থাকায় মেঝে, লিফটের পাশের ফাঁকা জায়গায় চলছে চিকিৎসা। এমন অবস্থায় অন্যান্য হাসপাতালে যেতে রোগীদের আহবান জানাচ্ছে মুগদা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

সাধারণত রোগীর পাশে গিয়েই স্যালাইন পুশ করেন নার্সরা। কিন্তু মুগদা হাসপাতালের চিত্রটা ভিন্ন। রোগীর চাপ এতোটাই বেশি যে, স্যালাইন দেয়ার অবসরটুকুও নেই নার্সদের। 

তাই মুমুর্ষ রোগীদেরই দাঁড়াতে হয়েছে স্যালাইন নেয়ার লাইনে। লাইনে দাঁড়িয়ে স্যালাইন পুশ করিয়ে আবারো রোগীদের ফিরে যেতে হচ্ছে নিজের শয্যায়। 

কখনো রোগী নিজে, কখনো বা স্বজনরা স্যালাইনের ব্যাগ ধরে দাঁড়াচ্ছেন। তড়িঘড়ি স্যালাইন পুশ করছেন নার্স। আর এভাবেই চিকিৎসা চলছে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে। 

image

হাসপাতালটির কোন বিছানাই এখন আর ফাঁকা নেই। মেঝে সিড়ির পাশের ফাঁকা জায়গা, লিফটের সামনের জায়গা, সব খানেই রোগীদের ঠাই নাই অবস্থা। 

সরেজমিনে দেখা যায়, মুগদা হাসপাতালের তৃতীয় তলায় নারী, অষ্টম তলায় শিশু এবং নবম ও দশম তলায় পুরুষ ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা চলছে। ওয়ার্ডের ভেতরে জায়গা নেই।

সামনের বারান্দা ও খোলা জায়গা দিয়ে সারি করে বিছানা পাতা হয়েছে। ছাদে অনেক দূরে দূরে লাগানো ফ্যান ঘুরতে থাকলেও বহু লোকের উপস্থিতিতে পরিবেশে ভ্যাপসা গরম।

এক–দুটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রতিটি বিছানায় রোগীর মাথার কাছে স্যালাইন ঝোলানোর স্ট্যান্ড থেকে ঝুলছে স্যালাইনের ব্যাগ। রোগীর সঙ্গে আছেন তাঁদের আত্মীয়স্বজন।

বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সঙ্গে মা–বাবাসহ একাধিক লোক আছেন দেখভাল করার জন্য। ফলে ওয়ার্ডগুলোতে বলতে গেলে পা ফেলার জায়গা নেই।

নির্ধারিত জায়গার পাশাপাশি ওয়ার্ডের ভেতর সুবিধামতো জায়গায় টেবিল পেতে তার ওপর স্যালাইনের ব্যাগের স্তূপ সাজিয়ে বসেছেন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে আসা নার্সরা।

কেবল স্যালাইন আর প্যারাসিটামলই মিলছে হাসপাতালে। বাকি ওষুধ কিনতে হচ্ছে বাইরে থেকে। তাকে অবশ্য কিছু মনে করছেন না স্বজনরা। রোগীকে বাঁচানোর বড় লক্ষ্য। 

image

পাঁচশ শয্যার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ভর্তি ছিলো ৬০২ জন ডেঙ্গু রোগী। পরিচালক বলছেন, নিয়ম মতো কোন রোগীকেই তারা ফিরিয়ে দিতে পারেন না। 

কিন্তু বাস্তবতা হলো নতুন রোগী নেয়ার মতো অবস্থাটা আর নেই। মো: নিয়াতুজ্জামান বলেন, তাই আমরা অনুরোধ করছি যেন এখানে না এসে অন্য হাসপাতালে যেতে। 

তিনি জানান, বাড়তি নার্স ও চিকিৎসকও দেয়া হয়েছে মুগদা হাসপাতালে। তবু সামলানো যাচ্ছেনা পরিস্থিতি। রোগী অতিরিক্ত হয়ে গেলো লোকবল বাড়িয়ে কোন লাভ নেই। 

ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় সবার ভরসা হয়ে ওঠা হাসপাতালটির ডেঙ্গু পরীক্ষার লাইনেও উপচে পড়া ভিড়। প্রতিদিন তিনশ’ জনের পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু লাইনে হাজারও মানুষ। 


একাত্তর/এআর

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বাউশিয়ার কাজলা নদীর তীরে পাশাপাশি নোঙর করে রাখা কয়েকটি তরি। বাইরে থেকে দেখে সাধারণ নৌকা মনে হলেও ভেতরে ঢুকলেই চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। নদীই যেন এখানে পরিণত হয়েছে এক একটি...
মাত্র দুই হাজার টাকার রিমার্ক পণ্য কিনে এক লাখ টাকা উপহার জিতলেন রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ার জান্নাত স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. আলা উদ্দিন।
বিটপী অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের মিডিয়া বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার আলাউদ্দিন তালুকদার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)।
নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে আকিজ কলেজ অব হোম ইকোনমিক্স।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকার তাদের ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে আগামীতে এ ভাতা বাড়ানো হবে, যাতে...
ম্যাচের শুরুটা হয়েছিল দারুণ এক ঝড় দিয়ে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ঝড় এসে থামলো এক অচেনা ও করুণ ধ্বংসস্তূপে! ত্রিদেশীয় সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শনী দেখিয়ে বাংলাদেশকে এক কথায় উড়িয়ে দিয়েছে...
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো গভীর শোকে। ভারতের কলকাতার একটি জনপ্রিয় পূজামণ্ডপে অতিরিক্ত ভিড় ও বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট পদদলনে ঘটনায় অন্তত ১৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত...
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী পাটোয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন এলাকায় কাঠের তৈরি তিনতলা টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় সংঘটিত ভয়াবহ আগুনে ১০ জন পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর সব তথ্য সামনে এসেছে।...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর