জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ নেয়া শেষে দলের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলাকার মানুষের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের অঙ্গীকার করেছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এসময় তারা স্মার্ট বাংলাদেশ, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গঠনের পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
বুধবার সকাল থেকেই সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভিড় দেখা যায়। সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে শুরু হয় শপথ কার্যক্রম। শুরুতে নিজের শপথ পাঠ করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। পরে আওয়ামী লীগের ২২২ জন সংসদ সদস্যকে শপথ পড়ান তিনি। এরপর শপথ নেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। পরে জাতীয় পার্টির ১১ সংসদ সদস্যরা শপথ নেন স্পিকারের কাছে।
শপথ নেয়া সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার করেন। আওয়ামী লীগ যে ইশতেহার দিয়েছে তার সব কিছু বাস্তবায়ন করাই এখন মূল লক্ষ্য বলেও জানান নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।
তারা বলেন, জনগণের পাশে থেকে তাদের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন নির্বাচিতরা। এদিকে, জোট গঠনের বিষয়ে ভাবছেন বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান তারা। এর আগে মঙ্গলবার নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশিত হয়।
আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত
শপশ নেয়ার পর অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা। সেখানে সর্বসম্মতিতে টানা চতুর্থবারের মতো সংসদ নেতা নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার নাম প্রস্তাব করেন এবং নূর- ই- আলম চৌধুরী লিটন ওই প্রস্তাবের সমর্থন জানান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
এ ছাড়া বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবারও স্পিকার হিসেবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়। ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুকে আবারও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া বর্তমান নুর ই আলম চৌধুরীকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ হিসেবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর সরকারি দলের জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরীকে সংসদ উপনেতা মনোনীত করেছে আওয়ামী লীগ।
