তাইওয়ানে কূটনৈতিক মিত্র দ্বীপ দেশ নাউরু অনেকটাই অপ্রত্যাশিতভাবে চীনের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে।
ছোট প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশটি অপ্রত্যাশিতভাবে তার বর্তমান মিত্র তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করারকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমান সময়ে প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র প্রভাব বিস্তারের অবিচ্ছেদ্য হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
বেইজিংয়ে একটি অনুষ্ঠানে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং নাউরুর প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওনেল আইংগিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের জন্য একটি চুক্তি করেছেন।
দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পরে নাউরু স্বীকার করেছে, চীন দ্বারা পরিচালিত ‘বিশ্বে একমাত্র চীন’ এবং তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এদিকে তাইওয়ান চীনের সার্বভৌমত্বের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে এবং নাউরুর পরিবর্তনের বিষয়টি সাম্প্রতিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরপরই তাইওয়ানকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে।
নাউরুর পররাষ্ট্র মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা ছিল ‘নাউরু সরকারের একটি স্বাধীন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত’।
নাউরুর আধুনিক গবেষণা এবং উন্নয়নে চীন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তাইওয়ানে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার মাত্র দুই দিন পর ১৫ জানুয়ারি তাদের একটি মিত্র দেশ চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পূরক স্থাপন করে। এর ফলে তার অবশিষ্ট কয়েকটি কূটনৈতিক মিত্রের মধ্যে নাউরুকে হারিয়েছে।
চীনকে কতটা সামাল দিতে পারবে লাইয়ের তাইওয়ান?