হাইতির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোয়েসের হত্যার পরে ক্ষমতায় আসা এরিয়েল হেনরির নির্বাচন না দেয়ায় দেশে শুরু হয়েছে সহিংসতা। তিনি পদত্যাগ না করলে হাইতির রাজধানীতে গৃহযুদ্ধ ও গণহত্যা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির বিদ্রোহী গ্যাং নেতা জিমি চেরিজিয়ার।
গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় তখন তাকে অপসারণের জন্য একটি সমন্বিত হামলা চালায় সশস্ত্র অপরাধী চক্র। এই সন্ত্রাসী চক্র দেশের বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
আলজাজিরা জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরির ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা ছাড়ার কথা থাকলে তিনি তা করেননি। মঙ্গলবার ডোমিনিকান রিপাবলিক তার বিমান অবতরণের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করার পরে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঞ্চল পুয়ের্তো রিকোতে ছিলেন বলে জানা গেছে।
সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জিমি চেরিজিয়ার হাইতির সংবাদ মধ্যমকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রধানমন্ত্রীকে (এরিয়েল হেনরি) লাগাতার সমর্থন দিতে থাকলে দেশে গৃহযুদ্ধ অবসম্ভাবী। যুদ্ধে গণহত্যার জন্য একমাত্র তিনিই দায়ী থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, 'হয় হাইতি আমাদের সবার জন্য স্বাধীন না হয় নরক হবে'।
চেরিজিয়ার যিনি 'বারবিকিউ' নামেও পরিচিত তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনে অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সোমবার গভীর রাতে বিদ্রোহী গ্যাং রাজধানীর টাউসাইন্ট লুভারচার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে পুলিশের উপর গুলি চালায়। প্রাণ বাঁচাতে কর্মচারী ও অন্যান্য শ্রমিক পালিয়ে যায়।
এ হামলার পরে মঙ্গলবার বিমানবন্দর, স্কুল ও ব্যাংক বন্ধ ছিলো।
সপ্তাহান্তে গ্যাংরা হাইতির দুটি বৃহত্তম কারাগারে হামলা চালিয়ে হাজার হাজার বন্দীকে মুক্ত করে। যার মধ্যে ২০২১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোয়েসের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত গ্যাং সদস্যরাও ছিলেন।
কানাডিয়ান সামরিক শীর্ষ কর্তা মিচেল সেন্ট লুইস বলেন, হাইতি এখন গ্যাংদের নিয়ন্ত্রণে। সেখানে কোন সরকারের কোন সরকার কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। আমি আশা করছি যে তারা হেনরিকে বাইরে রাখতে পারবে যাতে যে কেউ ক্ষমতা গ্রহণ করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারে।
চিলমারীতে আন্তর্জাতিক নৌবন্দর করার উদ্যোগ 