নেপালে জেন-জি আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে নাটকীয় রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সুশীলা কার্কি দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে দেশটির জনজীবন। তুলে নেয়া হয়েছে কারফিউ এবং চলাচলের সব বিধিনিষেধ।
প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি যে কোন ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন স্থানে আগুন, লুট, ও কারাগারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় জড়িতের বিচারের মুখোমুখি হবে হবে।

একই সঙ্গে জেন জি বিক্ষোভ ও আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। বিক্ষোভ কেন সহিংস হয়ে উঠেছিলো এবং কি কারণে এতো সব হতাহতের ঘটনা ঘটলো, সেটি জানতে আহতদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেছেন সুশীলা কার্কি।
নেপালে জাতীয় ট্রমা সেন্টার পরিদর্শনের পর শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি নিউ বানেশ্বরের সিভিল হাসপাতালে যান এবং সেখানে এই সপ্তাহের শুরুতে জেন জি বিক্ষোভে গুরুতর আহত ব্যক্তিদের সাথে দেখা করেন এবং মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শুনেন।

৮-৯ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভে আহতরা বর্তমানে কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত ট্রমা সেন্টার, সিভিল হাসপাতাল এবং মহারাজগঞ্জভিত্তিক ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কর্মকর্তাদের মতে, রাজ্যের বিক্ষোভ দমনের সময় ৫১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৪০০ জনেরও বেশি বিভিন্ন মাত্রার আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় কার্কিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নিযুক্ত করা হয়। জেন জি আন্দোলনের সময় তরুণ বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর পর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জবাবদিহিতার দাবি তীব্র হয়। এরপরই ওলি পদত্যাগ করেন।
স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে নেপাল, কারফিউ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
হাসিনার আমলে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার