ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেঘনা নদীতে বালুবাহী বলগেটের ধাক্কায় একটি ভ্রমণ তরী ডুবির ঘটনায় আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এনিয়ে এ ঘটনায় ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এখনও নিখোঁজ আছেন তিন জন।
রোববার বিকেলে ওই তিনজন উদ্ধারের তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক।
এখনো যে তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে ডুবুরিরা।
উদ্ধার তিনজনই নারী জানা গেলেও তাৎক্ষণিক তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
এর আগে শনিবার দুপুরে উদ্ধার করা হয় মৌসুমি (২৫) ও তার মেয়ে মাহমুদার (৭) মরদেহ। তারা ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশের কনস্টেবল সোহেল রানার স্ত্রী ও সন্তান।

প্রথমে যে নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল তার পরিচয়ও শনাক্ত করা গেছে। ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ জানিয়েছেন ওই নারীর নাম সুবর্ণা (৪০)। তিনি ভৈরবের কমলপুরের বাসিন্দা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার ভৈরব রেলসেতুর তিন নম্বর পিলারের কাছে বালুবাহী বলগেটের ধাক্কায় একটি ভ্রমণ তরী ডুবে যায়। এ ঘটনায় ওই দিন এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়, নিখোঁজ থাকে বেশ কয়েকজন।
মেঘনায় নৌকাডুবি: আরও দুই মরদেহ উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ ছয়