বিধ্বস্ত বাড়ি আর স্কুল কেঁদে ফেলছেন ফিলিস্তিনিরা

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৩ পিএম

প্রায় সাত মাস ধরে ইসরাইলি হায়েনাদের হামলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া গাজার মানুষজন রয়েছেন চরম মানবেতর অবস্থায়। বাস্তুচ্যুত মানুষজন নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে দেখছেন বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষ। স্কুল ভবনগুলোও গুড়িয়ে দেয়ায় কষ্ট আর অনিশ্চয়তা ভর করেছে শিশুদের মনেও। 

ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাজা উপত্যকার বেশিরভাগ এলাকারই এখন ভগ্নদশা। পুরোপুরি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে বেশিরভাগ এলাকা। মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা ফিরে এসে দেখেন তাদের চিরচেনা জায়গার কোন অস্তিত্বই নেই।

তাদের ভাষায়, আমার একটা বাড়ি ছিলো। আমার স্বপ্ন! টুকরো টুকরো পাথর হয়ে গেছে পুরোটা। আমি শুধু একবার আমার পুরোনো ঘরটায় ফিরতে চাই। এক মুহূর্তেই আমাদের সব পরিকল্পনা, আনন্দ, বেঁচে থাকা, সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। এতো পরিশ্রমে তিলে তিলে গড়ে তোলা সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। 

একই দৃশ্য দেখা যায় রাফাহ শহরেও। সবাইকে হারিয়ে অসহায়ত্বের চূড়ান্ত সীমায় দাঁড়িয়ে বহু নারীর একজন উম বাসিল আল ফারানি। তিনি বলেন, সাতটা মাস চলে গেলো।

প্রতিনিয়ত মানুষ মরছে। আমার পরিবারের কেউ বেঁচে নেই। আমাদের সবাই কাউকে না কাউকে হারিয়েছে। তারপরও ওদের দয়া হয় না। এরা এতো নির্মমভাবে শিশুশূণ্য করছে গাজা। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মই মেরে শেষ করে দিয়েছে।

এদিকে, হামলা শুরুর পর থেকে গাজা উপত্যকার শিশুদের মানসিক অবস্থাও শোচনীয়। নেই স্কুল, কোন কাজ, নেই বাড়িঘর, বা পরিবার। যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি শিশুর মৃত্যুতে অনেক শিশুই হারিয়েছে প্রাণের বন্ধু। তারা বলছে, স্কুলে আমি সব সময় প্রথম হতাম। ৯৮ বা ৯৯ শতাংশ মার্কস আসতো। আমাদের স্কুলের কতো স্মৃতি। যুদ্ধ শেষ হলে আমরা পড়বো কোথায়? আমাদের কি আর পড়ালেখা হবে না?

এমন অনেক প্রশ্ন গাজার বেশিরভাগ শিশুর মনে। বলছেন, আমার অনেক বন্ধু শহীদ হয়েছে। আমরা একসাথে স্কুলে যেতাম, বাড়ি ফিরতাম, টিফিন খেতাম। ওরা কি অপরাধ করেছে? কেন ওদের মরতে হলো? এখন তো আর স্কুলেও যাওয়া হবে বলে মনে হচ্ছে না, নতুন বন্ধুও পাওয়া যাবে না। 

বাস্তুচ্যুত গাজাবাসীর সবাই ছুটে ছুটে, কেঁদে কেঁদে ক্লান্ত। এখন প্রার্থনা একটু মুক্তির। বেঁচে থাকার আকুল আকুতিতে ইসরাইল সরকারকে হামলা থামানোর অনুরোধ জানাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। কিন্তু তাদের কথা কী আদৌ পৌঁছাবে তেল আবিবের কর্তাদের কাছে, এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারো। 

একাত্তর/এসি
মধ্যপ্রাচ্যের তিন মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একদিকে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজিরবিহীন ও ঐতিহাসিক কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে, অন্যদিকে তখন মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র...
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এক নজিরবিহীন ও ঐতিহাসিক কূটনৈতিক চমক দেখালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার তিনি জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানপন্থী লেবানিজ সশস্ত্র...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার সামরিক সম্পর্ককে নজিরবিহীনভাবে আরও শক্তিশালী ও গভীর করতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা নীরবে একটি প্রস্তাব এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এমন এক সময়ে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, যখন ইসরাইলের...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অত্যাধুনিক বোমাবর্ষণ এবং কোটি কোটি ডলারের সামরিক কৌশলকে ‘বুলডোজার আর ডাম্প ট্রাকের’ মতো সাধারণ কিছু নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে নস্যাৎ করে দিয়েছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন’র...
বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। কিন্তু মাঠের লড়াই শুরুর আগেই বাজিকরদের চোখে ফেভারিটের তালিকায় ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ফরাসি দেমাগি ফ্রান্স কিংবা হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ডের চেয়ে...
চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আর যুদ্ধবিগ্রহের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছে ইরান ফুটবল দল। আগামী শনিবার মেক্সিকোতে নিজেদের বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে উড়াল...
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রের বারুদ আর ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জনের মাঝেই এবার এক অবিশ্বাস্য ও চটকদার রাজনৈতিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায়...
ফুটবল ইতিহাসের মহাতারকা লিওনেল মেসিকে ছোটবেলায় মাত্র কয়েক বছর ট্রেনিং দিয়েই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁর শৈশবের কোচ এনরিকে ডোমিঙ্গুয়েজ। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে কোচিং ছাড়ার পেছনে কোনো ক্ষোভ বা ব্যর্থতা...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর