ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন- হামাসকে নিমূল না করা পর্যন্ত গাজায় ইসরাইলের অভিযান চলবে বলে আবারও সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই তিনি জানিয়েছেন, চুক্তি হোক বা না হোক রাফাহতে অভিযান হবে।
বুধবার এক বার্তায় নেতানিয়াহু বলেছেন, স্থল অভিযান শুরু করার জন্য দক্ষিণ গাজা উপত্যকার শহর রাফাহ থেকে বেসামরিক লোকদের সরিয়ে নেয়া শুরু করেছে ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনি ছিটমহল থেকে আইডিএফ তার বেশিরভাগ বাহিনীকে সরিয়ে নেয়ার পরও যুদ্ধ চলবে। যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে কিছু যায় আসে না।
তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি। রাফাহ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেয়া শুরু করেছি এবং শিগগিরি সেখানে আক্রমণ শুরু হবে। আমরা হামাসের কাছে আত্মসমর্পণ করব না। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক চাপের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছি। হামাসকে শেষ করেই তবেই গাজা ছাড়বো।
নেতানিয়াহু জানান, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের উদ্দেশ্য পরিবর্তন আসেনি। হামাসকে নির্মূল এবং জিম্মিদের মুক্তিই তেল আবিবের প্রধান লক্ষ্য। জিম্মি পরিবারের সদস্যরা তার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করেছেন এবং তার সঙ্গে বৈঠকের পর ইসরাইলের অভিযানের বিষয়ে আশাবাদ জানিয়েছে।
ক্ষমতাসীন জোটের সঙ্গে এক বৈঠকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই লাখ বেসামরিক নাগরিক এরিমধ্যে রাফাহ ছেড়েছে। সেখানে বাকি চারটি হামাস ব্যাটালিয়নকে ধ্বংস না করে যুদ্ধের কোনো শেষ হতে পারে না। একটি সম্পূর্ণ বিজয়ের লক্ষ্যেই রাফাহ শহরে অভিযান অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, জিম্মিদের মুক্তির জন্য আলোচনার চলছে, অর্ধেক এরিমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে। হামাসের অবশিষ্ ঘাঁটিগুলো ধ্বংস না করে যুদ্ধ বন্ধ করার ধারণাটি অকল্পনীয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে ইসরাইল আগেভাগেই যুদ্ধ শেষ করতে রাজি হবে না। আমি এটা করতে দেব না।
যুদ্ধবিরতির সবশেষ প্রস্তাবের ভাগ্য জানা যাবে কখন?