দখলদার ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরাকের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিরোধ গ্রুপ ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)। তবে এ হামলার পর এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তেল আবিব।
বুধবার আইআরআই'র এক বিবৃতির বরাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এজেন্সি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকভিত্তিক প্রতিরোধ গ্রুপ ড্রোন ব্যবহার করে ইলাত সমুদ্রবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে।
এ আক্রমণে ইসরাইলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে আইআরআই বলছে, শত্রুর (ইসরাইলের) অবস্থান আরও নিবিড়ভাবে গুঁড়িয়ে দিতে আমরা আমাদের অভিযান চালিয়ে যাবো।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় জায়নবাদী ইসরাইলের গণহত্যার প্রতিশোধ এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে ইরাকি প্রতিরোধ যোদ্ধারা এই অভিযান চালায়।
এর আগেও ইরাকি যোদ্ধারা ইসরাইলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। তারা বারবার বলছে, ইসরাইল যতক্ষণ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় গণহত্যা বন্ধ না করবে ততক্ষণ ইরাক থেকে ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে।
হামলার জেরে এরইমধ্যে ইলাত সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর ফলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে ইসরাইলের বন্দর বাণিজ্য।
এর আগে গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন এক লাখের বেশি মানুষ।
চলমান এ গণহত্যার প্রতিবাদে ইরাক, ইরান, লেবানন, ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের একাধিক রাজনৈতিক সংগঠন ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
আবারও রিমান্ডে ইমরান খান ও বুশরা
এমপক্স নতুন কোনো কোভিড নয়: ডব্লিউএইচও