কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহতদের ‘নির্বিচার হত্যা' উল্লেখ করে সেই দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে করা রিটের শুনানির দিন পিছিয়েছে।
আগামী রোববার শুনানির দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহবুবুল উল ইসলাম এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিটের পক্ষে রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া নিজেই শুনানি করেন।
এর আগে গত সোমবার মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মুরাদ ভূঁইয়া রিটটি করেন। এদিন শুনানি হওয়ার কথা ছিলো।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল ছাড়াও ওই রিটে, যে সব প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনার নামে রয়েছে, সেগুলোর নাম পরিবর্তনও চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া একই রিটে দেশ সংস্কারের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ সর্বনিম্ন তিন বছর চাওয়া হয়েছে।
সেই সাথে বিদেশে পাচার করা টাকা ফেরত আনতে এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া সব কর্মকর্তাদের বদলি চাওয়া হয়েছে।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত পাঁচ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শেখ হাসিনা। এরপর দেশের বিভিন্ন জায়গায় হত্যা, অপহরণ. মানবতাবিরোধী অপরাধসহ নানা অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হচ্ছে।
বাংলাদেশে বন্যা নিয়ে যা বলছে ভারত