ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার মিসাইল ও ড্রোন বন্যার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই দেশটিতে আবারও হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। নতুন করে হামলা চালাতে আগের মতোই ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করেছে মস্কো। এতে এখন পর্যন্ত চারজন নিহত ও কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন।
রুশ কর্মকর্তাদের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্য ইউক্রেনের শহর ক্রিভি রিহ'র একটি হোটেল মিসাইল হামলায় দুইজন এবং পূর্বে জাপোরিঝিয়া শহরে ড্রোন হামলায় আরও দুইজন নিহত হয়েছেন।
এসব হামলায় কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
তবে মঙ্গলবারের হামলার বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এক এক্স বার্তায় বলেছেন, আমরা নিঃসন্দেহে এটি এবং অন্যান্য সমস্ত আক্রমণের জন্য রাশিয়াকে জবাব দেবো। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় হবে না।
তিনি আরও বলেন, সোমবার রাতে ইউক্রেনের যেসব অঞ্চলে হামলা হয়েছে সেসব অঞ্চলে উদ্ধার অভিযান চলছে। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের বিমান প্রতিরক্ষার কার্যকর কাজ সত্ত্বেও, চারজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি আমার সমবেদনা।

এর আগে সোমবার ইউক্রেনের বিভিন্ন গ্রাম ও শহরে শতাধিক মিসাইল এবং প্রায় ১০০ বিস্ফোরকবাহী ড্রোন নিক্ষেপ করে রুশ বাহিনী।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর কমান্ডার মাইকোলা ওলেশচুক জানিয়েছিলেন, সোমবার ১২৭টি মিসাইল এবং ১০৯টি ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া।
তবে ইউক্রেন ১০২টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৯৯টি ড্রোন গুলি করে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে বলে তিনি সামাজিক মাধ্যমে টেলিগ্রামে দাবি করেছেন।
গতকালের হামলাকে ইউক্রেনের বুকে সবচেয়ে বড় বিমান হামলা বলে অভিহিত করেছেন ওলেশচুক।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের একাধিক দেশ রুশ হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
তবে পুতিন প্রশাসন বলছে, বেসামরিক নাগরিক নয় বরং এই আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য ছিলো ইউক্রেনের শক্তি অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনাগুলো।
জাপানে সানসানের প্রভাবে ট্রেন ও বিমান চলাচল ব্যাহত
রাখাইনে আধা রাষ্ট্র গঠনের পথে আরাকান আর্মি 