পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মাদারীপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার ও বর্তমান ডিআইজি সুব্রত কুমার হালদারকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির আসামি ও দুদুকের আইনজীবীর জামিন শুনানী শেষে তাকে কারাগারে পাঠান।
এদিকে সুব্রত কুমার হালদারসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যেখানে ১৭ প্রার্থীর কাছ থেকে এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার ওই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম ১১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।
এতে বলা হয়, সুব্রত ২০১৯ সালে মাদারীপুর পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকাকালে কনস্টেবল পদে নিয়োগে দুর্নীতির ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ২৬ জুন মাদারীপুর জেলা থেকে পুলিশ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে ৫৪ জনকে পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। ওই নিয়োগ চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবৈধ ঘুষ লেনদেনের ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করে পুলিশ। ওই ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানায় ছয়টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে এবং আদালতের মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন দুদকে পাঠানো হয়।
প্রধান আসামি সুব্রত কুমার হালদার বর্তমানে সারদা পুলিশ একাডেমিতে উপ মহাপরিদর্শক হিসেবে (ডিআইজি) যুক্ত আছেন। ২০২৩ সালের পাঁচ জুলাই সুব্রতসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক। তদন্ত শেষে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সুব্রত নিজেই আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন চান। কিন্তু আদালত তা নাকচ করে। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাবেক আইজিপিসহ আট কর্মকর্তাকে কারাগারে