মধ্যপ্রাচ্যের কসাই খ্যাত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং দখলদার রাষ্ট্রটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। একইসঙ্গে ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আইসিসি। যদিও গত জুলাইয়ে দেইফকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি তেল আবিবের।
বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আইসিসির প্রাক-বিচার চেম্বার ১-এর তিন বিচারক সর্বসম্মতিক্রমে এই পরোয়ানা জারি করেছেন।
আইসিসির বিচারকরা বলেছেন, ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধের সময় কথিত যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য এই তিন ব্যক্তির "অপরাধের দায়" বহন করার "যুক্তিসঙ্গত কারণ" ছিলো।
তবে ইসরাইল ও হামাস উভয় পক্ষই আইসিসির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আইসিসির সিদ্ধান্তকে "সাম্প্রদায়িক" বলে নিন্দা জানিয়েছে।
অন্যদিকে হামাস বলেছে, নেতানিয়াহু এবং গ্যালান্টের জন্য ওয়ারেন্ট একটি "গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নজির" স্থাপন করেছে।
তবে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের বিষয়টি আংশিকভাবে নির্ভর করছে আইসিসির ১২৪ সদস্য রাষ্ট্রের ওপর। যদিও ইসরাইল বা তার মিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
এর আগে গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৪৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন এক লাখের বেশি মানুষ।
চলমান এ গণহত্যার প্রতিবাদে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ইরান, ইরাক, লেবানন, রাশিয়া, বাংলাদেশ, চীনসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ। অন্যদিকে সরাসরি এ গণহত্যাকে সমর্থন দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রসহ অধিকাংশ ইউরোপীয় দেশ।
পরমাণু বোমা তৈরির শেষ ধাপে ইরান!
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ২০২৫ সালে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন