একদিন পরেই শুরু হয়ে পবিত্র মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার মাস। এই সময়ে ইফতার পণ্যের দামে নিয়ে ক্রেতার মধ্যেই এক ধরনের আশঙ্কা থাকে। তবে, এবার রোজায় পেঁয়াজ ছোলা খেজুরসহ অন্যান্য ইফতার পণ্যের সংকট হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।
তারা একাত্তরকে জানিয়েছেন, দেশে ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে আমদানি ব্যয় বাড়লেও আন্তর্জাতিক বাজারে দর কমে যাওয়ায় বহু ব্যবসায়ী আমদানিতে উৎসাহী হচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় সামনে ছোলাসহ পেঁয়াজের দাম আরো কমবে।
দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে শুক্রবার বন্ধের দিনের ছিলো ট্রাকের দীর্ঘ সারি। প্রতিটি ট্রাকেরই চলে যাওয়ার কথা দেশের অন্যান্য শহরে ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজার বাজার লক্ষ্য করে পেঁয়াজ ছাড়াও ছোলা, চিনি, খেজুরসহ সব পণ্য আমদানিতেই ঋণপত্র খোলা বেড়েছে। রোজার মাস উপলক্ষ্যে পেঁয়াজের চাহিদা পৌনে দুই লাখ টন থেকে বেড়ে পাঁচ লাখ টনে উঠেছে।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী দেশে গত আড়াই মাসে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন ছোলা আমদানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল ৮৯ টন ছোলা। সেই হিসাবে এবার আমদানি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৭১ হাজার টন বা ৮০ শতাংশ বেশি|
পহেলা জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত খেজুর আমদানি হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টন। গত বছর একই সময়ে আমদানি হয়েছিল প্রায় ২০ হাজার টন। অবশ্য ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে, রোজায় খেজুরের চাহিদা ৬০ হাজার টন। দাম সহনীয় রাখতে এবার রোজার মাস খানেক আগে খেজুরের শুল্ক–কর কমানো হয়।
এনিয়ে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী নেতারা জানান, আমদানির সুযোগ পাওয়ায় এবছর বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। বিশ্ববাজারেও কমেছে ছোলাসহ নানা পণ্যের দাম। পর্যাপ্ত আমদানির কারণে এবার রমজানের চিনি ছোলা খেজুরসহ নানা পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলছেন পাইকার ব্যবসায়ীরা।
অন্যায়ভাবে দাম বাড়ালে প্রতিবাদ করার পরামর্শ প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার