গাজায় ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ‘অমানবিক হত্যাকাণ্ডের' নিন্দা জানিয়ে ২৮টি পশ্চিমা দেশ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করলেও জার্মানি তাতে যোগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
ডয়চে ভেলে খবরে বলা হয়, জার্মান চ্যান্সেলারি মন্ত্রী থর্স্টেন ফ্রাই বুধবার ইসরাইলের বিষয়ে জার্মান জোট সরকারের অবস্থান নিয়ে মতবিরোধের বিষয়টি উড়িয়ে দেন।
চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের শীর্ষ সহযোগী ফ্রাই জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফকে বলেছেন, নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর উপায় এবং পথ সম্পর্কে ভিন্নমত থাকতেই পারে। তবে এ নিয়ে কোনো বিভেদ নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার জোট সরকারের অন্যতম শরিক মধ্য-বামপন্থি দল এসপিডির নেতৃস্থানীয় রাজনীতিবিদেরা সরকারের বড় শরিক দল মধ্য-ডানপন্থি সিডিইউকে এই বিবৃতিতে যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ফ্রান্স, ইটালি এবং যুক্তরাজ্যসহ ২৮টি দেশের পাশাপাশি ইউরোপীয় কমিশনও এই যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেছে।
বিবৃতিতে গাজায় যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান এবং ইসরাইলের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানানো হয়েছে। জার্মানি ঘোষণায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
তবে, সরকারের অবস্থানের পক্ষে কথা বলেছেন ফ্রাই। তিনি বলেছেন, বিবৃতিটিতে ঘটনার ক্রমানুসারের স্পষ্টতার অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, এটা স্পষ্ট করে বলা উচিত যে, এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণের ফলে এবং হামাস এখনও জিম্মিদের আটকে রেখেছে।
জার্মানি ইসরাইলি সরকারের সঙ্গে ‘যোগাযোগের অনেক চ্যানেল’ চালু রেখেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ফ্রাই অবশ্য বলছেন, ‘গাজার মানবিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়া উচিত’ এবং ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার থাকলেও বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করা ‘আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি আইনি বাধ্যবাধকতা’ রয়েছে।
পেরুতে দুর্ঘটনায় নিহত ১৫