কবে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন? সবার আগ্রহের এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। যদিও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বলছে, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের সব পক্ষকে প্রস্তুতি শেষ করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ মনে করেন, এসবই ইঙ্গিত দেয় ফেব্রুয়ারিতেই হতে পারে নির্বাচন।
একটা প্রজন্ম জানেই না সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা। তাদের কাছে নির্বাচন মানেই এক তরফা কিংবা ভোটের আগে রাতেই ব্যালট বাক্স ভরে রাখা।
জুলাই অভ্যুত্থানের জনপ্রিয় স্লোগান ছিল, স্বৈরাচারের পতন চাই। বিপরীত দিকটাই গণতন্ত্র। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটেই তার সর্বোচ্চ অনুশীলন হতে দেখা গেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
এই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন এখন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাঁধে। অভ্যুত্থানের বছর পেরিয়ে গেলেও কখনো আগামী বছরের এপ্রিল আবার কখনোবা ফেব্রুয়ারির কথা শোনা যায়।
বিষয়টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে, প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ডিসেম্বরের মধ্যেই ইসিসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে অন্তত ৪৭ হাজার কেন্দ্রে। নিরাপত্তায় কাজ করবে দেড় লাখ পুলিশ, ষাট হাজার সেনাসদস্যসহ আনসার ও ব্যাটালিয়ন পুলিশ। যা কেন্দ্রের সংখ্যা অনুযায়ী তেমন বেশি নয়। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দলগুলোকে ভূমিকার দিকেও তাকিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার।
উপদেষ্টাসহ সরকারের হয়ে কেউ কেউ বলছে, শিগগিরই ভোটের একটা সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণের ঘোষণা দিতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা।
কয়েক দশক থেকে দেশের রাজনীতি পর্যবেক্ষণ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ। তার অভিমত, সব কিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছে আসছে ফেব্রুয়ারিতেই হতে পারে নির্বাচন।
রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত হওয়া আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সহযোগীরা নির্বাচনে সহিংসতা যেন করতে না পারে সেজন্য সরকারকে সতর্ক থাকতে বলেন এই বিশ্লেষক।
খসড়া চূড়ান্ত, মঙ্গলবার জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ