ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে ভ্লাদিমির পুতিন ও ভলোদিমির জেলেনস্কির বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে অনীহা প্রকাশ করেছে ক্রেমলিন। এরই মধ্যে, মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য খরচের সিংহভাগ ইউরোপকেই বহন করতে হবে। এদিকে, ইউক্রেনের নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিয়ে আলোচনায় রাশিয়াকে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।
ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের পর দেশটির জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিভিন্ন বিকল্প খসড়া তৈরি শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সামরিক পরিকল্পনাকারীরা। মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধের পর অস্ত্র সহায়তার বাইরে ওয়াশিংটন কী ধরনের সমর্থন দিতে পারে তা খুঁজে বের করতে কাজ করা হচ্ছে।
এর মধ্যে ইউরোপীয় সেনাদের ইউক্রেনে পাঠানো হলেও তাদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নেবে, এমন একটি বিকল্প আলোচনায় রয়েছে।
তবে এসব সেনা ন্যাটোর অধীনে নয়, নিজ নিজ দেশের পতাকাতেই কাজ করবে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা সমন্বয়ের ভূমিকায় থাকতে পারে।
এরই মধ্যে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য খরচের বড় অংশ ইউরোপকেই বহন করতে হবে।
তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এই বোঝা আমাদের আর টানা উচিত। আমরা যুদ্ধ আর রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করতে পারি। কিন্তু এরপর নিরাপত্তা নিশ্চয়তার খরচের দায়ভারের সিংহভাগটা ইউরোপকেই বহন করতে হবে, সেটা যে আকারেই হোক না কেন। এটা তাদের মহাদেশ আর তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত।
একই দিন, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, ইউক্রেন ইস্যুতে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার আলোচনায় রাশিয়াকে বাদ দিলে কোনও সমাধান পাওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, এখন সম্মিলিত নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অথচ রাশিয়াকে বাদ দিয়ে সমাধান খোঁজা হচ্ছে, এটা আমরা মেনে নিতে পারি না। পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ভালোভাবেই জানে যে রাশিয়াকে বাদ দিয়ে নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা করা একেবারেই অর্থনক।
এদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে ভ্লাদিমির পুতিন ও ভলোদিমির জেলেনস্কির বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে ক্রেমলিন অনীহা প্রকাশ করেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই নেতার সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প প্রথমে ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনের কথা বললেও এখন বলছেন, প্রাথমিকভাবে পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক দ্বিপাক্ষিকভাবে হওয়াই ভালো। প্রয়োজন হলে তিনি যোগ দেবেন।
তবে ক্রেমলিনের ভাষ্য, সম্ভাব্য বৈঠকের আগে ধাপে ধাপে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। এ বিষয়ে রুশ উপ-রাষ্ট্রদূত দিমিত্রি পলিয়ানস্কি বলেছেন, শুধু বৈঠক করার জন্যই একসাথে বসা অর্থহীন।
বিদেশি কর্মী নিতে আবারও কলিং ভিসা উন্মুক্ত করলো মালয়েশিয়া
স্ত্রীকে নোরা ফাতেহির মতো বানাতে না খাইয়ে ঘণ্টা পর ঘণ্টা ব্যায়াম করান স্বামী!
গাজা শহর দখলে ইসরাইলের অভিযান শুরু, পালাচ্ছে ফিলিস্তিনিরা