সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে আজও হরতাল পালন করছেন ফরিদপুরবাসী। প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা কয়েক দফায় সড়ক অবরোধ করেন। আর বাগেরহাটে চলছে সকাল-সন্ধা হরতাল। চলছে না দূরপাল্লার কোনো যানবাহন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও আশপাশের আটটি পয়েন্টে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তবে তাদের সরিয়ে দেয় প্রশাসন। পরে তারা আবারও সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, নির্বাচন কমিশন তার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এদিকে ফরিদপুরে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-অবরোধ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের ঘটনায় পুলিশ মামলা করেছে। মামলায় দুইশোর বেশি জনকে আসামি করা হয়েছে।

বাগেরহাটে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ধারাবাহিক আন্দোলনে এবার চলছে তৃতীয় দফার হরতাল। সোমবার সকাল থেকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি অফিসের সামনে অবস্থান নেন তারা। কড়া নিরাপত্তায় রয়েছে পুলিশ।
হরতালের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা।
মঙ্গলবার ও বুধবার আধবেলা হরতাল কর্মসূচি রয়েছে বাগেরহাটে। এই দুই দিন সরকারি অফিস আদালতে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন দুটিকে নির্বাচন কমিশন আসন বিন্যাসের অংশ হিসেবে ফরিদপুর ২ আসনের অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ওই দুই ইউনিয়নের মানুষ।
ওদিকে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাটের চারটি আসন কমিয়ে তিনটিতে নামানোর প্রস্তাব দেয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাগেরহাটের মানুষ আন্দোলনে নামেন এবং শুনানিতেও চার আসন বহালের দাবি জানান। তবে ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন, যেখানে কেবল সীমানা পরিবর্তন করে তিন আসন বহাল রাখা হয়।
ভাঙ্গায় অবরোধকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিলো প্রশাসন