ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা। এ বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য জানতে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাবি উপাচার্যের সাথে দেখা করেন বেশ কয়েকটি প্যানেলের প্রার্থীরা। তবে কোনো সদুত্তর না দিয়েই গণমাধ্যমকে এড়িয়ে নিজ কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান ভিসি নিয়াজ আহমদ খান।
ডাকসু নির্বাচনের পর পেরিয়েছে প্রায় ১৩ দিন। এরইমধ্যে উঠেছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। এ বিষয়ে বারবার লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা।
ডাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণ এবং গণনা নিয়ে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে উপাচার্য কার্যালয়ে যান ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান, স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা এবং বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদেরসহ একাধিক প্রার্থী।
উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
এসময় ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে মোট কত ভোট পড়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও প্রশাসন ভোটারদের উপস্থিতির তালিকা প্রকাশে গড়িমসি করছে।
তিনি আরও বলেন, গাউসুল আজম মার্কেট থেকে অরক্ষিত অবস্থায় ব্যালট পেপার উদ্ধারের মতো গুরুতর বিষয়েও প্রশাসন অজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, যা তাদের হতাশ করেছে।
স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা প্রশ্ন তুলে বলেন, প্রশাসন যেমন অরক্ষিত ব্যালট পেপারের বিষয়ে কোনো সদুত্তর দেয়নি, তেমনি ভোটের দিনে ভোটারদের উপস্থিতির তালিকা দিতেও নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।
অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।
প্রার্থীদের অভিযোগকে সাধুবাদ জানান নির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম। বলেন নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব অভিযোগকারীদের সহযোগিতা করা।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নিউইয়র্কে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সাক্ষাৎ
নিউইয়র্কে আখতারকে ডিম নিক্ষেপ: এনসিপির নিন্দা ও তিন দাবি
শাপলা প্রতীক পাচ্ছে না এনসিপি