বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক শহরের একটি সড়কের বিশাল অংশ ধসে পড়ে বড় একটি গর্ত বা ‘সিঙ্কহোল’ তৈরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তবে, বড় ও গভীর গর্তের সৃষ্টি হলেও হতাহতের কোনো ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে শহরটির বাসিন্দারা।
বুধবার ব্যাংককের পৌর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভাজিরা হাসপাতালের সামনের স্যামসেন রোডের প্রায় ৯০০ বর্গমিটারেরর মতো একটি অংশ ভেঙে পড়ে ৫০ মিটার (১৬৪ ফুট) গভীর গর্ত হয়ে যায়। এতে যান চলাচলের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস মতো অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাগুলোও বিঘ্নিত হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভাজিরা ও সাংহি মোড়ের মধ্যবর্তী সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভাজিরা হাসপাতালের বহির্বিভাগীয় চিকিৎসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয় এবং হাসপাতাল ভবনের আশপাশে থাকা প্রায় ৩ হাজার ৫০০ রোগী ও বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল নিজে ঘটনাস্থল ছুটে গেছেন এবং জানিয়েছেন এই টানেল ও সড়ক মেরামতে কমপক্ষে এক বছর সময় লাগবে। বিষয়টি বুধবার সন্ধ্যায় নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা হবে। সেখানেই ঠিক হবে সড়ক মেরামতের সব পরিকল্পিনা।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, ড্রেনেজ পাইপ থেকে পানি বের হচ্ছে এবং বিদ্যুতের খুঁটি টেনে নিয়ে রাস্তাটি ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে।
ব্যাংককের গভর্নর চ্যাডচার্ট সিত্তিপুন্ট বলেছেন, হাসপাতালের কোনো সমস্যা নেই। তবে সেখানে অবস্থিত একটি পুলিশ স্টেশন নিয়ে আমরা চিন্তিত। ভূমিধসটি ঘটেছে রেলস্টেশন ও টানেলের সংযোগস্থলে। মাটি ধসে টানেলে ঢুকে যায়, আশপাশের কাঠামোগুলো ধসে পড়ে এবং একটি বড় পানির পাইপও ফেটে যায়।
স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা আরও ধসের সম্ভাবনা বন্ধ করেছে এবং স্থানটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখছে। হাসপাতাল ভবনের আশপাশে থাকা প্রায় সাড়ে তিন হাজার রোগী ও বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
পূজার আগে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলকাতা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নিহত ১২
টাইফুন রাগাসার তাণ্ডবে তাইওয়ানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭