ইউক্রেনের পোক্রোভস্ক শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া রাশিয়া। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে তীব্র যুদ্ধ চলছে। মস্কোর দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় বাহিনীকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছে।
এখন পুরোপুরি দখলের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে রুশ সেনারা। তবে জেলেনস্কির পাল্টা দাবি, রুশ সেনারা গত একদিনে কোনো অগ্রগতি করতে পারেনি। তাদের বিশেষ বাহিনী শহরে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
পূর্ব ইউক্রেনের কৌশলগত শহর পোক্রোভস্ক ঘিরে গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সেনাদের মধ্যে ব্যাপক লড়াই চলছে।

তীব্র লড়াইয়ের পর রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, পোক্রোভস্ক ও পার্শ্ববর্তী কুপিয়ানস্ক শহরে ইউক্রেনীয় সেনাদের ঘিরে ফলা হয়েছে। এখন তাদের আত্মসমর্পণ ছাড়া প্রাণে বাঁচার কোনো পথ নেই।
তবে কিয়েভ পাল্টা দাবি করেছে, তাদের বিশেষ বাহিনী শহরে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং অর্ধশতাধিক রুশ আক্রমণ প্রতিহত করেছে।
কিয়েভের লজিস্টিক হাব হিসেবে পরিচিত পোক্রোভস্ক ইউক্রেন সেনার প্রতিরক্ষা ব্যূহের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিল। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেল সংযোগ কেন্দ্র পোক্রোভস্ক দখলে সবসময় মরিয়া ছিল রাশিয়া।
যা দখল করতে পারলে রাশিয়া আরও কার্যকরভাবে সামরিক সরঞ্জাম ও সরবরাহ স্থানান্তর করতে পারবে। শহরটি দখল করা হলে দনেস্ক অঞ্চল সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনার রাশিয়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।
শহরটির কাছে ইউক্রেনের একমাত্র কয়লা খনি রয়েছে, যা দেশটির অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য এবং ইস্পাত উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পোক্রোভস্ক শহরের মাধ্যমে চাসিভ ইয়ার ও কস্তিয়ানতিনিভকার মতো ফ্রন্টলাইনের শহরগুলোতে সরবরাহ পাঠানো হয়, যা ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সর্বশেষ মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে, রুশ বাহিনী পোক্রোভস্ক সম্পূর্ণ ঘেরাও থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে এবং কুপিয়ানস্ক শহরের প্রধান সড়কের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর আগে পোক্রোভস্কের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৬০ হাজার। এখন শহরটি প্রায় জনশূন্য। সব শিশুকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, অল্পসংখ্যক মানুষ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে রয়ে গেছেন।
ছোট ভাইয়ের সাথে কখন-কোথায় মারামারি, মাইকিং করে জানালেন বড় ভাই!
মামদানিতে মোকাবেলা করতে হবে যে সব চ্যালেঞ্জ