দেশের ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি ৩৮ শতাংশ শিশুর রক্তে বিপজ্জনক হারে সিসা পাওয়া গেছে। যার মধ্যে শুধু ঢাকায় শিশুদের রক্তে মিলেছে ৬৫ শতাংশ সিসা।
রোববার (১৬ নভেম্বর) মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫ প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফ।
জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, দেশে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের ৩৮ শতাংশের এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের প্রায় আট শতাংশের রক্তে সিসার উপস্থিতির মাত্রা নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি।
জরিপে বলা হয়, সিসা দূষণ শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে হুমকি তৈরি করে এবং এর প্রভাব সব আর্থ-সামাজিক শ্রেণির ওপরই পড়ে।
জরিপে দেখা যায়, আক্রান্ত শিশুদের অর্ধেকের বেশি ধনী এবং ৩০ শতাংশ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।
এছাড়া এ জরিপে অপুষ্টি বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ২০১৯ সালে কম ওজনের শিশু ছিলো ৯ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছেছে।
মায়েদের অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা এখন অত্যন্ত উচ্চহারে লক্ষণীয়। যা প্রায় ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ। এই ফলাফলগুলো মাতৃ ও শিশু পুষ্টি, সঠিক স্তন্যপান এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো তৃতীয় চালানের গমবাহী জাহাজ