ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেতা ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ডা. তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। চাকরি থেকে তার বার্ষিক আয় সাত লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। এছাড়া দেশের বাইরে তার আয় রয়েছে তিন হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
তাসনিম জারা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রার্থীদের হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ২২ লাখ ৩০ হাজার ১৯০ টাকা। তার কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ ১৬ লাখ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুই হাজার ২৭০ পাউন্ড, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১০ হাজার ১৯০ টাকা এবং আড়াই লাখ টাকা মূল্যের সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু রয়েছে।
হলফনামায় তাসনিম জারা নির্ভরশীল হিসেবে স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর নাম উল্লেখ করেছেন। খালেদ সাইফুল্লাহ পেশায় একজন উদ্যোক্তা। তার দেশের ভেতরে কোনো আয় নেই। তবে দেশের বাইরে বছরে ৩৫ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেন। আর শেয়ার, বন্ড বা সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে আয় করেন ৪ হাজার ৮০০ ব্রিটিশ পাউন্ড।
তাসনিম জারার স্বামীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে নগদ ১৫ লাখ টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা আছে ১০ লাখ টাকা মূল্যের। তার স্বামীরও কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই।
