ভোলায় কীর্তন শুনে বাড়ি ফেরার পথে বাকপ্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় অস্ত্রপচার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা দিকে জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ধোপাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এর আগে সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই নারী তিন নম্বর ওয়ার্ডের গোলকপুর গ্রামের একটি মন্দিরে কীর্তন শুনতে যান। রাত ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। ওই রিকশায় চালকসহ আরও তিনজন যুবক ছিলেন।
অভিযোগ, ধোপাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে তাকে জোর করে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে পাশের একটি বাগানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাত-মুখ বেঁধে মারধর এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। ভোরে অভিযুক্তরা তাকে বাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ, স্থানীয় অটোরিকশাচালক রাকিব ও তার দুই সহযোগী শাকিল এবং রাসেল এ ঘটনায় জড়িত।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় ভোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে হাসপাতালটির গাইনি বিভাগে তিনি চিকিৎসাধীন।
ভোলা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম জানান, ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো ইব্রাহীম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ অভিযানে নামে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
