তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং জুলাই আন্দোলনে হত্যাসহ পৃথক চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রোববার (৮ মার্চ) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলাসহ মোট পাঁচটি মামলায় খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে গত বছরের ২৬ অক্টোবর রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলে তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। সেই পাঁচটির মধ্যে দুদকের মামলাটি ছাড়া বাকি চার মামলায় জামিন আদেশের জন্য আজকের দিনটি নির্ধারিত ছিল। শুনানি শেষে আদালত আজ তার জামিন মঞ্জুর করেন।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।
এই রায়ের মাধ্যমেই দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়, যা নিয়ে পরবর্তীতে ব্যাপক বিতর্ক ও আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয়।
গত ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকেই তিনি কারাবন্দি ছিলেন। তবে দুদকের করা অপর মামলাটিতে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তার মুক্তি মিলছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মাঝরাতে ম্যানহোল থেকে পাঁচ কুকুর ছানা উদ্ধার করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও বাওয়া