সরকার দ্রুতই গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বিভিন্ন মামলায় আটক সাংবাদিকদের বিষয়েও দ্রুতই সমাধান আসবে।
রোববার (৩ মে) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউনেস্কো ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে ‘জন আস্থা পুনর্নির্মাণ: বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান দাবি করেন, বর্তমানে দেশের গণমাধ্যমগুলো সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ত থেকে কাজ করছে। তিনি বলেন, আশার আলো দেখবে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনও। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আটক হওয়া সাংবাদিকদের মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
সভায় গণমাধ্যমের ওপর জনআস্থা তলানিতে আসার মূল কারণ হিসেবে স্বাধীনভাবে কাজের অভাবকে দায়ি করেন বিশ্লেষকরা। তারা দাবি করেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রধান অন্তরায় রাজনৈতিক ও মালিকপক্ষের হস্তক্ষেপ।
গণমাধ্যমগুলো যেন সত্যিকার অর্থে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি কার্যকর নীতিমালা করার প্রস্তাব দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
সভায় ইউনেস্কোর কান্ট্রি ডিরেক্টর সুজান ভাইজ, ডেইলি স্টারের পরামর্শ সম্পাদক কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ফাহিম আহমেদ বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অপরিহার্য। তবে বর্তমানে মালিকপক্ষের ব্যবসায়িক স্বার্থ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সংবাদকর্মীরা চাপের মুখে থাকেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
