যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞ থামেনি। সবশেষ দখলদারদের ড্রোন হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় শিশুসহ অন্তত সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২ জন। এতে যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা ও বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার প্রকাশিত তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা শহরের দক্ষিণাঞ্চলের সাবরা এলাকায় বেসামরিক নাগরিকদের বহনকারী একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ইসরাইলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে এক শিশুসহ তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন। হামলায় আহত হন আরও তিনজন, যাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে আরও একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত নয়জন। আহতদের দ্রুত আল নাসর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়া মধ্য খান ইউনিসের জোরাত আল-আক্কাদ এলাকা, রাফাহর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মুয়াবিয়া এলাকাসহ গাজার আরও কয়েকটি স্থানে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ধারাবাহিক হামলায় গাজার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আন্তর্জাতিক মহল বারবার যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানালেও সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
ম্যাচ মুখ খুললেন মেসি, জানালেন একদম ভিন্নমত!
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেয়াল ধসে পাঁচ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২০