থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় হামলাকারীসহ অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ননথাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই জেলার ডেবসিরিন ননথাবুরি স্কুল-এ এ হামলার ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাকারী ১৪ বছর বয়সী নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। হামলার আগে সে নিজ বাড়িতে তার দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যা করে। পরে দাদার লাইসেন্সধারী পিস্তল নিয়ে স্কুলে গিয়ে অন্তত ২৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন নিহত হন। হামলার পর সে নিজেকে গুলি করে। পরে হাসপাতালে তারও মৃত্যু হয়।
থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় আহত ২২ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্বজনদের সহায়তায় মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরও মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার উদ্দেশ্য এখনও তদন্তাধীন। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম ও সহপাঠীদের বরাতে জানা গেছে, অভিযুক্ত কিশোরটি অস্ত্রের প্রতি আগ্রহী ছিল এবং স্কুলে বুলিংয়ের শিকার হতো। যদিও এ তথ্যের সত্যতা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
ঘটনার পর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এটি ২০২৬ সালে থাইল্যান্ডের দ্বিতীয় স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা। ২০২২ সালে দেশটির একটি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে ভয়াবহ বন্দুক ও ছুরি হামলায় ৩৬ জন নিহত হওয়ার পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাম্প্রতিক এ হামলার পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।
দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও কোথাও হতে পারে ভারী বর্ষণ
‘নাটক বাদ দিয়ে প্রতিশ্রুতি পূরণ করুন’, ট্রাম্পকে কলিবফ