শসার কেজি মাত্র ৫ টাকা!

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০২:২৩ পিএম

কুড়িগ্রামে এই মৌসুমে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে শীতের প্রভাব ও বাজারে চাহিদা না থাকায় মাত্র ৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা।

রবিবার (২৮ নভেম্বর) সরেজমিনে সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর হাটে প্রতিমণ শসা ১৫০ থেকে ২০০ টাকা মণ বিক্রি করতে দেখা গেছে। এদিকে জেলায় উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, সদর উপজেলায় শসা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫০ হেক্টর জমিতে। তবে অর্জিত হয়েছে ১৬০হেক্টর জমিতে।

সদরের ঘোগাদহ ইউনিয়ন থেকে যাত্রাপুর হাটে শসা বিক্রি করতে আসা বেলাল হোসন বলেন, আমি দেড় বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। তবে বাজারে চাহিদা না থাকায় পাইকাররা শসা কিনছেন না। ১০০ টাকা মণ দিতে চাইছি তাও নেয় না। 

তিনি জানান, কোন উপায় না পেয়ে নিজেই ৫টাকা কেজিতে খুচরা বিক্রি করছি। তাও মানুষ নিচ্ছে না। বাকি যা আছে বিক্রি না হলে বাড়ি নিয়ে যাব। শীতকাল আসাতেই শসার চাহিদা কমে গেছে। কয়েকদিন আগেও ৫-৬শ টাকা মণ বিক্রি হয়েছে। 

আরও পড়ুন: কেন্দ্র দখলে বাধা দেয়ায় প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিশ ছুরিকাহত

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়ন থেকে যাত্রাপুর হাঁটে শসা বিক্রি করতে আসা রফিকুল জানান, কয়েকদিন আগ পর্যন্ত বাজার ভালো থাকায় আসল টাকা তুলেছি। হাটে চাহিদা না থাকায় আজ ৫-৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কপাল ভালো যে আগেই আসল টাকা তুলতে পেরেছি। এখন যা আসে আসুক। 

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে বাজারে শসার উৎপাদন বেশি আর শীতকালে চাহিদা কম থাকায় দাম একটু কম। এছাড়া কৃষকরা শহরাঞ্চলে বিক্রি করতে না পারায় দাম আরও কমে গেছে। 


একাত্তর/আরএইচ

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে শীতের প্রভাবে এক ধরনের ‘শিতলতা’ বিরাজ করছে। মৌসুমি সবজির ব্যাপক সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কমছে মাছ ও মুরগির দাম।
কিছু দিন দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলেও বাজারে আবারও বেড়েছে ডিমের দাম। খরায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার তালিকায় আছে সবজিও। এক কেজি পটল, কাকরোলও কিনতে গুনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। মাংসের মতো মাছের বাজারেও...
সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানে মারাত্মক ঘাটতি থাকার কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক...
বিতর্ক ও সমালোচনার জেরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে ইশরাক হোসেন বলেছেন, দল তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেনি, বরং তিনি নিজে থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি...
ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মূল লক্ষ্য বলে...
নানা নাটকীয়তা ও গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে পৌঁছেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর