কৃচ্ছসাধনের যে নির্দেশনা চলমান রয়েছে তাতে গতি আনতে ফের অনলাইনে সম্ভব এমন সভা ও বৈঠক করতে তাগদা দিয়ে কেন্দ্রীয় বাংক জানিয়েছে, এমন সভাগুলো অংশগ্রহণকারীদের শতভাগ শারীরিক উপস্থিতির পরিবর্তে হাইব্রিড পদ্ধতিতে আয়োজন করার।
এক সার্কুলারের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ‘‘ব্যাংকের ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে সভার গুরুত্ব ও শারীরিক উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে অনলাইন প্লাটফর্মে আয়োজন করা যায় এমন সভাসমূহ হাইব্রিড পদ্ধতিতে আয়োজন করা যেতে পারে।’’
এর আগে করোনা মহামারির সময়ে অনলাইনে পর্ষদ সভাসহ বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) মতো গুরুত্বপূর্ণ সভা আয়োজন করার অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
এখনো অনেক ব্যাংক খরচ ও শ্রম কমিয়ে আনতে এজিএম আয়োজন করছে অনলাইন ও হাইব্রিড মোডে।
করোনার প্রভাব কমে যাওয়ায় বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শাখা ব্যবস্থাপকদের উপস্থিতিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে পাঁচ তারকা হোটেলগুলোতে হাজার খানেক কর্মী নিয়ে সভা করছে অনেক ব্যাংক।
এসব সভা ৩ থেকে ৫ দিনের মতো সময় নিয়েও চলছে। বিশাল এই ব্যয় যোগান দেয়া হচ্ছে ব্যাংকের তহবিল থেকে। কৃচ্ছ সাধনের নিদের্শনার মধ্যেই চলছে বিশাল এ ব্যয়ের আয়োজন।
এমন প্রেক্ষাপটে বেশি সংখ্যক উপস্থিতির সভা হাইব্রিড মোডে করার পরামর্শ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
ইউক্রেইন-রাশিয়া যুদ্ধ ও নানা কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর চাপ কমাতে নেয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধি করা হয় কয়েকবার। এতে মূল্যস্ফীতিসহ পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গত জুলাই মাসে কৃচ্ছসাধনে সব ব্যাংককে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ এক বছরে ২০ শতাংশ কমিয়ে আনতে নিদের্শনা দিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ওই নির্দেশনার আলোকে চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনা হবে বার্ষিক জ্বালানি খরচ।
একাত্তর/এআর
