বিশ্ববাজারে পণ্য এবং দেশে ডলারের দাম বাড়ার জন্য, আমদানি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। কিন্তু দেশে উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়ে কেবল সিন্ডিকেট এবং বিপণন ব্যবস্থাপনার ত্রুটির জন্যই। এমন মন্তব্য ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের। আর ক্যাব বলছে, সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কারণে বাজারে অর্থের জোগান বাড়ছে। তাতেই বাড়ছে দ্রব্যমূল্য।
দ্রব্যমূল্যের আগুনে দাহ হওয়া ভোক্তাদেরকে, ‘কেবল বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে স্বস্তি দেয়া কিংবা তাদের অধিকার সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়’ শীর্ষক ছায়া সংসদের আয়োজন করা হয় বিএফডিসিতে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এই ছায়া সংসদে সরকারি দল হিসেবে অংশ নেয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং বিরোধী দল হিসেবে অংশ নেয়, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি।
ছায়া সংসদে, পণ্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য সিন্ডিকেট, আইনের দুর্বলতা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, বাজার মনিটরিং সংস্থাগুলোর লোকবলের অভাব এবং পথে পথে চাঁদাবাজিকে দায়ী করা হয়। যা থেকে উত্তরণে বাজার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি জনসচেতনতা এবং আইন সংশোধনের কথা বলেন বিতার্কিকেরা।
ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, মনিটরিং করে তাৎক্ষণিকভাবে বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কিন্তু ডলারের মূল্যবৃদ্ধি কারণে আমদানি পণ্যের দাম যে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়ে যাচ্ছে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, অতি মুনাফা এবং নীতি নৈতিকতার জায়গা অনেকেরই জিরো পর্যায়ে চলে গেছে।
কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, চাহিদা-যোগান স্বাভাবিক থাকার পরও, সিন্ডিকেট না ভাঙতে পারলে, মনিটরিং করে আজারের আগুন নেভানোর নিশ্চয়তা দেয়া কঠিন।
তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কারণে মানুষের সঞ্চয় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।
ছায়া সংসদে বিজয়ী হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ।
আগস্টেই ৭১ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত, ৩৪২ মৃত্যু