ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি করার ঘোষণা দেয়ার পর দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। গেলো দিন যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়, মঙ্গলবার তা বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। অর্থাৎ কেজিতে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে ১৫ থেকে ২০ টাকা।
সোমবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে বাংলাদেশসহ আরও পাঁচ দেশে সরকারিভাবে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি। আর এ ঘোষণার পর রাজধানীর কাওরানবাজারসহ পাইকারি আড়ৎগুলোতে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম।
যদিও এখনও ১০০টাকার ওপরে পেঁয়াজের এ দাম নিয়ে সন্তুষ্ট নন ক্রেতারা। তারা জানান, গত মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পেঁয়াজের কেজি ছিলো ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। সংকটের দোহাই দিয়ে দাম বাড়িয়ে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। ভারতের পেঁয়াজ আমদানি হলে এ দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকার ভেতরে চলে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা ক্রেতাদের।
মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা দোকানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা দরে, গতকাল ওইসব খুচরা দোকানেই একই পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি করেছেন তারা।
গত মৌসুমে উৎপাদন কম হওয়ায় গেলো কয়েকমাস ধরেই পেঁয়াজের দামের ঝাঁজ দেখে আসছে দেশের ভোক্তারা। আর ভারত রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দাম বাংলাদেশে দাম আরও বেড়েছে।
এরইমধ্যে রোজার মাস এগিয়ে আসতে থাকায় দাম নাগালে রাখতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সে দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
সবশেষ রোববার বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ২০ হাজার টন পেঁয়াজ ও ৫০ হাজার টন চিনি আমরা পাবো বলে ভারতের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত হয়েছি।
তবে বাংলাদেশ ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ ও এক লাখ টন চিনি ভারত থেকে আমদানি করতে চায় বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত ভারতের
লিটারে ১০ টাকা কমছে সয়াবিন তেলের দাম