নারীরা গৃহস্থালিতে যে কাজ করেন তা জিডিপির ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ। টাকার হিসেবে যা প্রায় সাত লাখ কোটি টাকা। এ অবস্থায় নারীর গৃহস্থালির ‘অবৈতনিক’ কাজকেও জিডিপি (গ্রস ডমেস্টিক প্রোডাক্ট) হিসেবে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘গৃহকর্মের স্বীকৃতি: পথ লিঙ্গ সমতা অর্জনের প্রথম পদক্ষেপ’ -শীর্ষক এক সংলাপে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
সংলাপে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, কর্মক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার দিক দিয়ে পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশি সক্ষম। তিনি বলেন, মেয়েরা শুধু ঘরের কাজই করে না উৎপাদনও করে। তাই নারীরা যাতে তার কর্মক্ষেত্রে তার সন্তান রাখতে পারেন তার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের নারীদের প্রতি সম্মান বাড়ানো উচিত। জরিপ অনুযায়ী ৬০ শতাংশ নারী গণপরিবহনে হেনস্তার স্বীকার হন যা দুশ্চিন্তার।
তিনি আরো বলেন, নারীর গৃহস্থালি কর্মের কারণেই মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বিএসটিআইয়ের ‘ক্যালিব্রেশন ফি’ কমলো