দেশের ঋণ পরিশোধ ও ব্যয় মেটাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর বিকল্প নেই। যদিও চাহিদার তুলনায় বেশ কম আদায়েরর গতি। এনবিআর আয়কর থেকে যে রাজস্ব আদায় করে তার ৮০ ভাগের বেশি আসে উৎসে কর থেকে। এই উৎসে করকে অন্যায্য দাবি করে অব্যাহতি চেয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)।
সংগঠনটির দাবি, স্বর্ণের মতো বিলাসী পণ্যে ৫ শতাংশ মূসক আদায় করে ভ্যাট আহরণ করে সরকারকে সহযোগিতা করছে। আর ভ্যাট-ট্যাক্স মিলে ১০ শতাংশ হওয়ায় বাজুস উৎসে করকে অন্যায্য হিসেবে উল্লেখ করে অব্যাহতি চেয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছে বাজুস। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজুসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গুলজার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী স্বর্ণ কেনার সময় ৫ শতাংশ উৎসে কর ও ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা আছে। বাজুসের দাবি, স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতাকে ৫ শতাংশ উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে আসছে। আবার এই একই স্বর্ণ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আবার ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। তাই উৎসে কর অন্যা হিসেবেও দাবি সংগঠনটির। যদিও উৎসে কর এবং ভ্যাট দুটির জন্য আলাদা আইন ও বিধি আছে বলে জানান এনবিআর সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া বড়ো বিষয় হলো-স্বর্ণের মতো লাক্সারি পণ্যে ভ্যাটের অভিন্ন হার ১৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ বিদ্যমান রয়েছে। ভ্যাট আর উৎসে করকে একসঙ্গে মিলিয়ে ১০ শতাংশ দাবি করাটাও অযৌক্তিক বলেও জানিয়েছেন একাধিক কর্মকর্তা।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে উৎসে কর এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ভ্যাট বিদ্যমান থাকায় ক্রেতাদের স্বর্ণ বিনিময়ে উৎসাহিত না করে বিক্রিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আর উৎসে কর ও ভ্যাট মিলে ১০ শতাংশ করের কারণে জুয়েলারি শিল্প বিকাশের অন্তরায় বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আর উৎস কর মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।
এছাড়া অন্যান্য দেশের তুলনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেশি একইসঙ্গে উৎস কর এবং ভ্যাট মিলে দশ শতাংশ হওয়ায় জুয়েলারি শিল্পের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও জানানো হয়েছে।
খেজুর আমদানিতে শুল্ক কমাতে এনবিআরের কাছে চিঠি
জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত এনবিআর কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে বিধিনিষেধ 