পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দর দুটিতে যাত্রী আসা-যাওয়াসহ নির্বিঘ্নে চলছে পণ্য আমদানি-রপ্তানি ও খালাসের কাজ।
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ খায়রুল আলম বলেন, বুধবার সকাল থেকে স্থলবন্দরের পরিবেশ অনেকটাই স্বাভাবিক। সীমান্ত দিয়ে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। সকালে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ থেকে মাছ নিয়ে ১০/১২টি ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান বন্দরে অপেক্ষা করছে। ইতিমধ্যে ৩/৪টি মাছবাহী ট্রাক ভারতে প্রবেশ করেছে।
এদিকে পায়রা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের উপপরিচালক আজিজুর রহমান জানান, দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দরের আমদানি-রপ্তানি, পণ্য লোড-আনলোডিংসহ সব ধরণের অপারেশনাল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি জানান, গত দুই ডিসেম্বর পায়রা বন্দরে ইন্দোনেশিয়ার কয়লাবাহী জাহাজ এমভি ‘ওয়াইএম অ্যাডভ্যান্স’ ৬০ হাজার ৫০০ মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে এসেছে। প্রথমে আউটারে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে ৪৩ হাজার মেট্রিকটন কয়লা খালাস করা হয়। বুধবার বন্দরের বিসিপিসিএল জেটিতে ওই জাহাজের বাকি ১৭ হাজার ৫০০ মেট্রকটন কয়লা খালাসের কাজ চলছে।
এর আগে ২৪ নভেম্বর কয়লা নিয়ে এসেছিল ইন্দোনেশিয়ার আরেকটি জাহাজ ‘প্যাক এলকোর’। ওই জাহাজেও ৬০ হাজার ৫০০ মেট্রিকটন কয়লা এসেছিল। সেটি কয়লা খালাস করে ফিরে যাওয়ার জন্য বর্তমানে আউটারে অবস্থান করছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে একই দিন এর ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে সিলেটে। জেলাটির সীমান্তের ওপারে বিক্ষোভের কারণে জকিগঞ্জ, সুতারকান্দি, তামাবিল বন্দর আমাদানি-রপ্তানি বন্ধ আছে।
সীমান্তের ওপারে বিক্ষোভ, সিলেটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ