বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চারটি চালানের মাধ্যমে ৫১০ মেট্রিকটন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ১৪টি ট্রাকে আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে।
চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড়করনের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট মের্সাস ভুঁইয়া এন্টারপ্রাইজ।
সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট মেসার্স ভুঁইয়া এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি বাবলুর রহমান বলেন, চাল আমদানির শুরু থেকেই আমরা কাস্টমস হাউসে চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করে আসছি। ভারত থেকে আজ ৫১০ মেট্রিকটন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চাল ছাড়করনের জন্য বেনাপোল কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করেছি। আশা করি দ্রুতই চাল ছাড়করনের ক্লিয়ারেন্স হাতে পাবো।
বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিলো ছয় হাজার ১২৮ মেট্রিকটন। আজ দুপুরে চার চালানে ৫১০ মেট্রিকটন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গত ১৮ জানুয়ারি পুনরায় ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিকটন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যা সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে তিন মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
এর আগে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে চাল বোঝাই দুটি ট্রাক ভারত থেকে বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আমদানি কার্যক্রম। এদিন মেসার্স দিপি এন্টারপ্রাইজ নামের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান দুই ট্রাকে ৭৭ মেট্রিকটন চাল আমদানি করে।
