সারাদেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে আতশবাজির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। রোববার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় রয়েছে।
প্রাণি অধিকার বিষয়ক সংগঠন পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, পরিবেশবাদী সংগঠন ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশন, সেভ দ্য নেচার অব বাংলাদেশ, বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এবং মানবাধিকার সংগঠন গণঅধিকার ফাউন্ডেশন এ রিট দায়ের করেছে।
এর আগে, সংগঠনগুলোর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ রফিকুল ইসলাম জনস্বার্থে এ রিট আদালতে শুনানির জন্য দাখিল করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার শেখ রোবাইয়েত ইসলাম।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে নানা আইনি বিধিনিষেধের মধ্যেও নানা বিশেষ দিনে আতশবাজির প্রচলন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে রিটকারী সংগঠনগুলো। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ডিএমপির পক্ষ থেকে ২০১৮ সালে ফানুস উড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া ‘বিস্ফোরক আইন, ১৮৮৪ অনুসারে রঙিন আতশবাজি রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এদিকে, ক্যাপসের জরিপ অনুযায়ী ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাতে আতশবাজির জন্য শব্দদূষণ ১১৩ ভাগ বেশি ছিল, বায়ুমান ছিল ৫০০ একিউআই পর্যন্ত, যা মানুষের সহ্যক্ষমতার তুলনায় ৯ গুণ বেশি। একই রাতে সহস্রাধিক পাখি মারা গেছে, সারা দেশে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে প্রায় ২০০টি।
থার্টি ফার্স্টে ফানুস উড়াতে গিয়ে দগ্ধ কিশোরের মৃত্যু