একটা সময় ছিলো যখন হাজার ওয়াটের বাতির নিচেই কেটে যেতো জীবনের বেশিরভাগ সময়। তবে সেটি কখনও পেশা হয়ে উঠতে পারেনি মডেল সুমাইয়া চৌধুরীর জন্য। তাই টিভি আর অনলাইন বিজ্ঞাপণ দুনিয়া ছেড়ে চেষ্টা করলেন উদ্যেক্তরা হবার। দিলেন খাবারের দোকান।
তবে হুট করেই যে রেস্তোরাঁ খুলে বসেছেন, তেমন নয়। ছোটবেলা থেকেই সুমাইয়ার ইচ্ছে ছিলো অভিনয় করার পাশাপাশি ভালো রাঁধুনী হবার। অভিনয়ের ইচ্ছেপূরণের পর, উত্তরার দিয়াবাড়িতে নিউ বউবাজারে খুলেছেন খাবারের দোকান। এখন এই দোকানকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে সুমাইয়ার জীবন।

প্রচলিত জনপ্রিয় খাবারের আইটেমকেই প্রাধাণ্য দিয়েছেন এক সময়ের মেডেল সুমাইয়া। খিচুড়ি হাসভূনা, গরুর বট, হান্ডিবিফ চিতই পিঠা দেশীও খাবার দিয়ে সাজিয়েছেন দোকান। আয় করেছেন প্রায় লাখ টাকা। নিজে উদ্যোগতা হয়ে পরিবার ও অন্যদের পাশে থাকতে চান সুমাইয়া।
এমনিতেই প্রতিদিনই উত্তরার দিয়াবাড়িতে নিউ বউবাজারে খাবারে দোকানগুলোতে ভিড় করেন ভোজন রসিকরা। তবে সুমাইয়া রান্না ঘরে খেতে আসা ভোজন রসিকরা তার প্রশংসা করার সাথে সাথে বলছেন, নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই। তারা সমানভাবে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

সুমাইয়া জানান, তার এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আজ ছোট হলেও আগামীতে আরও বড় পরিসরে একটি রেস্তোরাঁ দেয়ার ইচ্ছে রয়েছে। এতে শুধু ব্যবসার প্রসার বাড়বে না, তৈরি হবে নতুন কর্মসংস্থানও।
