আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় এবার ১৯টি অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসছে।
রাজধানীর এই হাটগুলোতে আগত পাইকার ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। লেনদেনের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে হাটগুলোতে বিভিন্ন ব্যাংক তাদের বুথ স্থাপন করবে।
এরমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (ডিএনসসিসি) বসছে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) বসছে ৯টি হাট। ঈদুল আজহার দিনসহ মোট ৫ দিন নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু বেচাকেনার জন্য হাট বসবে।
ইতোমধ্যে দুই সিটি কর্পোরেশনই হাটের ইজারা চূড়ান্ত করতে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করেছে। সর্বোচ্চ দরদাতাকে হাটের ইজারা দেয়া হবে। তবে কোনো হাটে কাঙ্ক্ষিত দর পাওয়া না গেলে সেটি আবারো ইজারা দেয়া হবে বলে দুই সিটির সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা বাসসকে জানিয়েছেন।
তারা বলেছেন যে, সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানের বাইরে কোনও অস্থায়ী পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না।
উত্তর সিটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, প্রথম পর্যায়ে দরপত্র বিক্রির শেষ তারিখ ছিল ১৫ মে বৃহস্পতিবার। এখন দরপত্রগুলো মূল্যায়ন করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৬ মে দরপত্র বিক্রি শেষ হবে। প্রথম পর্যায়ে সরকারি দরের চেয়ে বেশি দর দাখিল করলে দ্বিতীয় পর্যায়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে না বলে তিনি জানান।
হাটে আগত পাইকার ও ক্রেতাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সেনাবাহিনী, র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। নিরাপদ লেনদেনের জন্য প্রতিটি হাটে ব্যাংকগুলোর বুথ থাকবে। জাল টাকা শনাক্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে হাটগুলোতে মেশিন রাখা হবে।
নারী সংস্কার কমিশনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি