রাজধানীতে ছিনতাই যেন এক নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। তবে ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে থানায় গিয়ে ভুক্তভোগী যদি পুলিশের কাছ থেকেই অপমানের শিকার হন, তখন প্রশ্ন ওঠে রাষ্ট্রের সেবা ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিয়ে।
সম্প্রতি এমনই এক ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তীব্র সমালোচনা। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন।
‘শার্টের বোতামগুলো লাগান। দামি ফোন ব্যবহার করেন! তাহলে তো ছিনতাই হবেই।’ - কথাগুলো থানায় এক সেবাগ্রহীতাকে বলেন থানার ওসি। ছিনতাইয়ের শিকার ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মী আহমাদ ওয়াদুদ এমনটাই দাবি করেন তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। এ ঘটনায় একজন এসআই, এক এএসআই ও দুই কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়।
অপেশাদার আচরণের অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী ইফতেখার হাসান।
মোহাম্মদপুরের এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয় ছিনতাই হওয়া মুঠোফোনটিও। ভুক্তভোগীও একজনকে শনাক্ত করেছেন।
এদিকে, পুলিশের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। সেবাগ্রহীতাদের সাথে পুলিশের ব্যবহার আরো শোভন করার দাবি জানিয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসির পদত্যাগ চান তারা।
শূন্য দোলনায় আর কখনো ফিরবে না আয়মান